দ্য সিলেট প্রতিবেদন |

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে একজন নিহত এবং প্রায় দেড় শতাধিক লোক আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সোমবার (৭ জুলাই) দুপুর ২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত শহরে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ চলে। নিহত ব্যক্তির নাম ফারুক মিয়া (৩৮)। তিনি পূর্ব তিমিরপুর গ্রামের আওয়াল মিয়ার ছেলে
এ সময় অর্ধশতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর এবং ১০টি দোকানে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিমিরপুর গ্রামের খরচু মিয়া তালুকদার ও ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আশাহিদ আলীর লোকজন সোমবার দুপুরে তিমিরপুর ও চরগাঁও গ্রামের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের আনমনু, রাজাবাদ, রাজনগর, কানাইপুর, নোয়াপাড়াসহ কয়েকটি গ্রাম। বিকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চলে সংঘর্ষ। এ ঘটনায় ফরুক মিয়া নামে একজন নিহত হন। অর্ধশতাধিক লোক আহত হন। আহতদের মধ্যে ২০ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সংঘাত চলাকালে প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন শহর ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন।
সন্ধ্যার পর বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্য যৌথ অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন একজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বর্তমানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।


