দ্য সিলেট প্রতিবেদন:

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবারকে সম্মাননা জানিয়েছে সিলেট বিএনপি। সোমবার (৭ জুলাই) বিকেলে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলের হলরুমে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের শ্রদ্ধা ও তাঁদের পরিবারকে সম্মাননা জানাতে সিলেট জেলা বিএনপি এই আয়োজন করে।
এতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘শেখ হাসিনা এমনি এমনি হঠাৎ পালিয়ে যায়নি। এর পেছনে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রাম রয়েছে। এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তারেক রহমান। আমাদের প্রিয়নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখনও অসুস্থ অবস্থায় আমাদের প্রেরণা ও পরামর্শ দিয়ে চলেছেন। এখন আর কেবল কথার রাজনীতি নয়, এখন সময় কাজের। ত্যাগ ও রক্তের মধ্য দিয়ে আমরা ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসান ঘটিয়েছি।
ফখরুল বলেন, “গত ১৫ বছরে এই শাসকগোষ্ঠী প্রায় বিশ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। শুধু গত জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ৩৬ দিনের মধ্যে দুই হাজার মানুষ শহীদ হয়েছেন। শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব। তাদের পুনর্বাসন, সন্তানদের শিক্ষার নিশ্চয়তা ও ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘সামনে নির্বাচন। মানুষের কাছে যান, তারেক রহমানের ৩১ দফা মানুষের কাছে তুলে ধরুন। মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেই বিএনপিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় নিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নতুন, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সবার জন্য সমান সুযোগ থাকবে। আমরা একটি অংশগ্রহণমূলক, অর্থবহ নির্বাচন চাই- যে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।’
সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, তাহসিনা রুশদীর লুনা, ড. এনামুল হক চৌধুরী, এম. এ. মালিক ও ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউস, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন ও মিফতাহ্ সিদ্দিকী, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, আবুল কাহের চৌধুরী শামীম ও মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী প্রমুখ।


